বারহাট্টা প্রতিনিধি : নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার চন্দ্রপুর গ্রামের সোহরাব হোসেনকে পুলিশ পরিচয়ে তুলে নেওয়ার ঘটনায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বারহাট্টা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চম্পক দাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানা যায়, গত শনিবার নিজ গ্রামের পাশ থেকে সোহরাব হোসেনকে পুলিশ পরিচয়ে একটি সংঘবদ্ধ চক্র তুলে নিয়ে যায়। পরে তাকে কলমাকান্দা উপজেলায় নেওয়া হয়। এ সময় স্থানীয়দের সন্দেহ হলে অপহরণকারীদের আটক করে কলমাকান্দা থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।

পুলিশ জানায়, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে সিজন মিয়া ও সুজাত মিয়া নামে দুইজনকে রোববার (৮ জুন) আদালতে পাঠানো হয়েছে। তাদের বাড়ি নেত্রকোনার ঠাকুরাকোনা এলাকায় বলে জানা গেছে।

এ ঘটনায় ব্যবহৃত দুটি মোটরসাইকেল, একটি হ্যান্ডকাফ এবং পুলিশের স্টিকার লাগানো একটি হেলমেট উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সরেজমিনে জানা যায়, ঘটনাটিতে সোহরাব হোসেনের পাশের বাড়ির বন্ধু মামুন মিয়ার সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন।

এ বিষয়ে স্থানীয়রা বলেন, এ ধরনের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

এদিকে চন্দ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা ও বিএনপির শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক শফিকুর রহমান শফিক বলেন, “পুলিশ পরিচয়ে সোহরাব হোসেনকে অপহরণের ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। আমরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের শাস্তি দাবি করছি।”

বারহাট্টা থানার ওসি চম্পক দাম গণমাধ্যমকে বলেন, “সোহরাব হোসেনকে অপহরণ করে কলমাকান্দা উপজেলায় নেওয়া হয়েছিল। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় দুইজনকে আটক করা হয়। সোহরাব হোসেনের অভিযোগের ভিত্তিতে পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে। দুইজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।”