
বারহাট্টা প্রতিনিধি : নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলায় সরকারি মূল্যে সার পাওয়ার কথা থাকলেও কৃষকরা বাস্তবে বেশি দামে সার কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। অভিযোগ, দায়িত্বপ্রাপ্ত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের তদারকির অভাবে কিছু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অতিরিক্ত মুনাফা নিচ্ছে।
উপজেলায় প্রতিটি ইউনিয়নে দুই থেকে তিনজন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা থাকলেও মাঠ পর্যায়ে তাদের কার্যক্রম চোখে পড়ছে না বলে অভিযোগ করেছেন কৃষকরা। প্রয়োজনের সময় কর্মকর্তাদের পাওয়া যাচ্ছে না, আর সার ক্রয়ে গেলে দোকানদাররা অতিরিক্ত দাম দাবি করছেন।
১৮ ফেব্রুয়ারি বিকেল সাড়ে তিনটায় চিরাম ইউনিয়নের নৈহাটি বাজারে সরেজমিনে দেখা যায়, দায়িত্বপ্রাপ্ত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নন্দন সাহেব একটি সারের দোকানে প্রবেশ করছেন। দোকানের বাইরে অপেক্ষমাণ একটি মোটরসাইকেলের চালকের সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, মধ্যনগরের উদ্দেশ্যে যেতে তাকে ভাড়া দিয়েছেন।
অন্যদিকে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শারমিন সুলতানা দাবি করেন, ১৮ ফেব্রুয়ারি বুধবার আমাদের অফিসারদের মাঠে কাজ নেই, সবাই অফিসে মিটিংয়ে আছে। নন্দন সাহেবও অফিসেই রয়েছেন।
সরেজমিন তথ্য ও কর্মকর্তার বক্তব্যের মধ্যে এই পার্থক্য স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে। ভুক্তভোগী কৃষকরা দাবী করেছেন, দ্রুত মাঠ পর্যায়ে তদারকি বাড়াতে হবে, সার বিক্রেতাদের নিয়মিত মনিটরিং করতে হবে এবং দায়িত্বে অবহেলা করলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অন্যথায় কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি অঞ্চলটির খাদ্য নিরাপত্তায় নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

